Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

 

 

শ্রেণী ভিত্তিক বিদ্যমান বিদ্যুতের মূল্যহার

 

ক্রমিক নং

গ্রাহক শ্রেণী

প্রতি ইউনিট মূল্য (টাকা)

০১।

শ্রেণী আবাসিক

(ক) প্রথম ধাপঃ ০০ হতে ১০০ ইউনিট

(খ)দ্বিতীয় ধাপঃ ১০১ হতে ৩০০ ইউনিট

(গ)তৃতীয় ধাপঃ ৩০১ হতে ৫০০ ইউনিট

(ঘ) চতুর্থ ধাপঃ ৫০০ এর উর্দ্ধে

 

 

 

৩.০৯

৩.৬১

৫.৪০

৮.১২

০২।

শ্রেণীঃ বানিজ্যিক

৬.৮০

 

০৩।

শ্রেণীঃ সেচ

৩.০১

 

০৪।

শ্রেণীঃ ক্ষুদ্র শিল্প

৫.২৭

 

০৫।

শ্রেণীঃ বৃহৎ শিল্প

৫.১৪

 

০৬।

শ্রেণীঃ দাতব্য    প্রতিষ্ঠান

৩.৪৭

 

০৭।

শ্রেণীঃ রাস্তার বাতি

৪.৯০

 

 

         পিক সময়ঃ বিকাল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত।

       অফ-পিক সময়ঃ রাত ১১টা থেকে পরদিন বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

 

     উপরোক্ত বিদ্যুতের মূল্যহারের সাথে নূন্যতম চার্জ, ডিমান্ড চার্জ, সার্ভিস চার্জ ও      

     অন্যান্য শর্তাবলী মূল্য সংযোজন কর যথারীতি প্রযোজ্য হবে। বিদ্যুতের মূল্যহার

    সরকার কর্তৃক অনুমোদিত এবং পরিবর্তনযোগ্য।

 

গ্রাহকের জ্ঞাতব্য বিষয়

·        সন্ধা পিক-আওয়ারে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন। আপনার সাশ্রয়কৃত বিদ্যুৎ অন্যকে আলো জ্বালাতে সহায়তা করবে।

·        সংযোগ বিচ্ছিন্ন এড়াতে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করুন এবং সারচার্জ পরিশোধের ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকুন।

·        বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়কল্পে মানসম্মত এনার্জি সেভিং বাল্ব (CFL)ও বৈদুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করুন।

·        টিউব লাইটে Electronic Ballast ব্যবহার করে বিদ্যু সাশ্রয় করুন।

·        বিদ্যুৎ একটি মূল্যবান জাতীয় সম্পদ। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এই সম্পদের সুষ্ঠু ও পরিমিত ব্যবহারে ভূমিকা রাখুন।

·        বৎসরান্তে পবিস হতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের প্রমান পত্র প্রদান করা হয়ে থাকে।

·        মিটার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আপনার। এর সঠিক সুস্ঠু অবস্থা ও সীলসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

·        সংশ্লিষ্ঠ এলাকার আওতাধীন কন্ট্রোল রুমে অভিযোগ কেন্দ্র থেকে জানা যাবে।

·        বিদ্যুৎ চুরি ও এর অবৈধ ব্যবহার থেকে নিজে বিরত থাকুন ও অন্যকে নিবৃত্ত করুন।

·        বিদ্যুৎ চুরি ও এর অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার রোধে আপনার ঞ্জাত তথ্য গ্রাহক সেবা কেন্দ্র/ অভিযোগ কেন্দ্র এ অবহিত করে সহযোগীতা করা আপনার দায়িত্ব।

·        ইদানিং একটি সংঘবন্ধ অসাধু চত্রু চালু লাইন হতে ট্রান্সফরমার/বৈদুতিক যন্ত্রপাতি/ তার চুরির সাথে জড়িত। সুতরাং আপনার এলাকারউপরিক্ত চুরি রোধে তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করুন এবং নিজের চুরি প্রতিরোধ কমিটি গঠন পূর্বক রাতে পালাক্রমে পাহারা দিন। কেননা এগুলো আপনার সম্পদ, চুরি হলে এগুলোর মূল্য আপনাকেই পরিশোধ করতে হবে।

 

বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণএড়াতে যথাসময়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করুন।

 

 

 

‘ গ্রাহক সেবা নির্দেশিকা’’

 

       ব্রাহ্মণবাড়ীয়া পলস্নী বিদ্যুৎ সমিতি

          দঃ সুহিলপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

 

টেলিফোন নম্বরসমূহঃ-

০১। দপ্তর প্রধানঃ ০৮৫১-৫৭৫০০

০২। সদর দপ্তর অভিযোগ কেন্দ্রঃ ০৮৫১-৫৯৩৩৩

০৩। আখাউড়াজোনাল অফিসঃ ০৮৫২২-৫৬২২৭

০৪। কসবা জোনাল অফিসঃ ০৮৫২৪-৭৩০৪০

০৫। নবীনগর জোনাল অফিসঃ ০৮৫২৫-৭৫২৫০

০৬। বাঞ্ছারামপুর জোনাল অফিসঃ ০৮৫২৩-৫৬০৯৯

০৭। নাসির নগর বিলিং এরিয়া অফিসঃ ০৮৫২৬-৫৬২১১

·       ফ্যাক্স নস্বরঃ ০৮৫১-৫৭৫০০

·       ই-মেইলঃ bbariapbs@yahoo.com

 

 

 

বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হোন

অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন

 

                  গ্রাহক সেবা কেন্দ্র

 

   বিদ্যুৎ সরবরাহ দপ্তরের ‘‘ গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ এ নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ, বিদ্যুৎ                   বিভ্রা্ট/বিল/মিটার সংক্রান্ত অভিযোগ, বিল পরিশোধের ব্যবস্থাসহ সকল ধরনের           অভিযোগ জানানো যাবে এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে।

নতুন সংযোগ গ্রহণ-

·        ‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ থেকে নতুন সংযোগের আবেদন পত্র পাওয়া যাবে।

·        আবেদনপত্রটি যথাযথ ভাবে পূরন করে নির্ধারিত আবেদন ফি নির্দিষ্ঠ ব্যাংক বুথ/শাখা অথবা ‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’/ দপ্তরে জমা প্রদান করে জমা রশিদ ও প্রয়োজনীয় দলিলাদি সহ ‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’- এ জমা করলে আপনাকে একটি নিবন্ধন নম্বরসহ পরবর্তী আগমনের তারিখ জানানো হবে।

·        পরবর্তী আগমনের তারিখে যোগাযোগ করলে আপনাকে ডিমান্ড নোট ও প্রাক্কলন ইস্যু করা হবে। ‘‘ গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ সংলগ্ন ব্যাংক বুথে দপ্তরে ডিমান্ড নোটের উল্লেখিত টাকা জমাপূর্বক জমার রশিদ প্রদর্শন করলে সংযোগ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। বিদ্যুৎ সংস্থা কর্তৃক সরবরাহকৃত অথবা বিদ্যুৎ সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত ক্রয়কৃত মিটার গ্রাহক জমা দিলে মিটার কার্ডসহ মিটার ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে গ্রাহকের আঙ্গিনায় স্থাপন করা হবে। যদি সংযোগ প্রদান সম্ভবপর না হয় তবে তার কারণ জানিয়ে আপনাকে একটি পত্র দেয়া হবে।

·        পরবর্তী মাসের বিলিং সাইকেল অনুযায়ী গ্রাহকের প্রথম মাসের বিল জারী করা হবে।

·        ‘‘ গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ থেকে নতুন সংযোগ গ্রহনের নিয়মাবলী ও এতদসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী সংগ্রহ করা যাবে।

বিল সংক্রান্ত অভিযোগ-

      বিল সংক্রান্ত যে কোন অভিযোগ যেমনঃ চলতি মাসের বিল পাওয়া যায়নি, বকেয়া  বিল, অতিরিক্ত বিল ইত্যাদির জন্য ‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ এ যোগাযোগ করলে তাৎক্ষনিকসম্ভব হলে তা নিষ্পত্তি করা হবে অন্যথায় একটি নিবন্ধন নম্বর দিয়ে পরবর্তী  যোগাযোগের সময় জানিয়ে দেয়া হবে এবং পরবর্তী ৭(সাত) দিনের মধ্যে নিস্পত্তির  ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  বিল পরিশোধ-

·        ‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ সংলগ্ন ব্যাংক বুথ/নির্ধারিত ব্যাংক/দপ্তর-এ গ্রাহক বিল পরিশোধ করতে পারবেন।

   বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ-

    বিদ্যুৎ সরবরাহ ইউনিটের নির্দিষ্ট ‘‘অভিযোগ কেন্দ্র’’ অথবা ‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’ এ             আপনার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ জানানো হলে আপনাকে অভিযোগ নম্বর ও নিষ্পত্তির  ম্ভাব্য সময় জানিয়ে দেয়া হবে। অভিযোগ নম্বরের ক্রমানুসারে আপনার বিদ্যুৎ বিব্রাট  দূরীভূত করার লক্ষে ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন কোন ক্ষেত্রে  যদি নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ বিব্রাট দূরীভূত করা সম্ভব না হয়, তার কারণ গ্রাহককে      অবহিত করা হবে।

 

 

 

নতুন সংযোগের জন্য দলিলাদি

 

নতুন সংযোগের জন্য আবেদনপত্রের সাথে নিম্নোক্ত দলিলাদি দাখিল করতে হবেঃ

সংযোগ গ্রহণকারীর রঙ্গিন পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি সত্যায়িত ছবি।

জমির মালিকানা দলিলের সত্যায়িত কপি।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়রের নিকট থেকে  নাগরিকত্ব  সার্টিফিকেট দাখিল করিতে হইবে।

ভোটার আইডিরসত্যায়িত কপি।

সিটি কর্পোরেশন/নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ/পৌরসভা/স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাড়ীর অনুমোদিত সত্যায়িত নক্স এবং অথবা সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নামজারীসহ হোল্ডিং নম্বর এর সত্যায়িত কপি ও দলিল অথবা দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর, জমির দলিল, কমিশনারের সার্টিফিকেট (যেখানে নক্সা অনুমোদন নাই)

লোড চাহিদার পরিমান।

জমি/ ভবনের ভাড়ার (যদি প্রযোজ্য হয়) দলিল।

ভাড়ার ক্ষেত্রে মালিকের সম্মতি পত্রের দলিল।

পূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের বিবরন ও সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের কপি।

অস্থায়ী সংযোগের ক্ষেত্রে বিবরন (প্রযেজ্য ক্ষেত্রে)।

বৈধ লাইসেন্সধারী কর্তৃক প্রদত্ত ইন্সটলেশন টেস্ট (ওয়ারিং) সার্টিফিকেট।

ট্রেড লাইসেন্স (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

সংযোগ স্থানের নির্দেশক  নক্সা।

শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের নিমিত্তে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন।

পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্ট প্লান্ট স্থাপন (শিল্প/সেচের ক্ষেত্রে)।

সার্ভিস লাইন এর দৈর্ঘ ১০৫ ফুটের বেশী হবে না।

বহুতল আবাসিক/বাণিজ্যিক ভবন নির্মাতা ও মালিকের সাথে ফ্ল্যাট।

শিল্প কারখানায় সংযোগের জন্য

গ্রাহককে আর ও যে দলিলাদি দাখিল করতে হবেঃ

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর ছাড়পত্রের ফটোকপি।(প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

           নতুন সংযোগের আবেদন ফিঃ

০১.সিঙ্গেল ফেজ আবাসিক/বানিজ্যিক/দলগত/দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সংযোগর ক্ষেত্রেঃ

(ক) ১ হতে ০৯ জন পর্যন্ত গ্রাহকের ক্ষেত্রেঃ- ১০০ টাকা (জন প্রতি)

(খ) ১০ হতে ২০ জন পর্যন্ত গ্রুপ সম্মলিতঃ- ১৫০০.০০ টাকা (নির্ধারীত) গ্রাহকের ক্ষেত্রে।

(গ) ২১ জন ও তদুর্ধের গ্রুফ সম্বলিতঃ- ২০০০.০০ টাকা (নির্ধারীত) গ্রাহকের ক্ষেত্রে।

২. সেচ কার্যে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্যঃ ২৫০.০০ টাকা।

৩. অস্থায়ী সংযোগের জন্যঃ ১৫০০.০০ টাকা।

৪. শিল্প সংযোগের জন্যঃ২৫০০.০০ টাকা।

৫. পোল স্থানান্তর/গাই স্থানান্তর/লাইন রুট পরিবর্তন/সার্ভিস ড্রপ রুট পরিবর্তনের জন্য আবেদন ফিঃ ৫০০.০০ টাকা।

৬. বৃহৎ শিল্প সংযোগের জন্যঃ ৫০০০.০০ টাকা।

 

নতুন সংযোগের জন্য জামানতের পরিমাণ

 

১. আবাসিক/বানিজ্যিক/দাতব্য প্রতিষ্ঠানঃ- ৬০০.০০ টাকা (প্রথম ০১ কিঃওঃ লোডের জন্য) পরবর্তিতে প্রতি কিঃ ওঃ লোডের জন্যঃ ২০০.০০ টাকা

 

২. শিল্প প্রতি কিঃ ওঃ লোডের জন্যঃ ১৮৬৮.০০ টাকা (ফেরতযোগ্য)

(ক) সিঙ্গেল ফেজ চাল/আটা/ধান কল এর ক্ষেত্রে প্রতি অশ্ব শক্তি লোডের জন্যঃ ৭৫০.০০ টাকা (অফেরতযোগ্য)

(খ) থ্রি ফেজ চাল/আটা/ধান কল এর ক্ষেত্রে প্রতি অশ্ব লোডের জন্যঃ ১৫০০.০০ টাকা।(অফেরতযোগ্য)

অস্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ

·        সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান, বাণিজ্যিক কার্যক্রম এবং নির্মাণ কাজের নিমিত্তে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে ২৩০/৪০০ ভোল্ট বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য মূল্যহার শ্রেনী জিপি এর জন্য প্রযোজ্য মূল্যহারকে ২ দ্বারা গুন করতে হবে। ১১ কেভি ও ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য মূল্যহার সংশ্লিষ্ট শ্রেণীর জন্য প্রযোজ্যমূল্যহারকে ২ দ্বারা গুন করতে হবে। ডিমান্ড চার্জ ও সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য শ্রেণীর দ্বিগুন হবে। গ্রাহকসংযোগ চার্জ এবং অতিরিক্ত হিসাবে অস্থায়ী সংযোগের সময়ের জন্য দৈনিক ৬ (ছয়) ঘন্টা বিদ্যুৎ ব্যবহারে ভিত্তিতে প্রাক্কলিত বিল জমা দিলে পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে অথবা গ্রাহকের চাহিদার দিন থেকে অস্থায়ী সংযোগ দেয়া হবে। যদি অস্থায়ী সংযোগ প্রদান করা সম্ভব না হয় তবে তার কারণ জানিয়ে গ্রাহককে একটি পত্র দেয়া হবে।

লোড পরিবর্তন

·        নতুন পরিবর্তন ফি প্রদান করতে হবে।

·        চুক্তি পরিবর্তন ফি প্রদান করতে হবে।

·        লোড বৃদ্ধির জন্য প্রযোজ্য অনুযায়ী কিলোওয়াট প্রতি বিদ্যমান হারে জামানত প্রদান করতে হবে।

·        অতিরিক্ত লোডের জন্য সার্ভিস তার/মিটার বদলানোর প্রয়োজন হলে উক্ত ব্যয় গ্রাহকে বহন করতে হবে।

·        প্রাক্কলন ও জামানতের অর্থ জমা দানের ৭(সাত) দিনের মধ্যে লোড বৃদ্ধি কার্যকর করা হবে। যদি লোড বৃদ্ধি করা সম্ভব পর না হয় তবে তার কারণ জানিয়ে গ্রাহককে একটি পত্র দেয়া হবে।

গ্রাহকের নাম পরিবর্তন পদ্ধতি

গ্রাহক ক্রয়সূত্রে/ওয়ারিশসূত্রে/লিজসূত্রে জায়গা বা প্রতিষ্টানের মালিক হলে সকল দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি ও সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের কপিসহ নির্ধারিত ফি ক্যাশ কাউন্টারে জমা করে আবেদন করতে হবে। সরেজমিন তদন্ত করে নাম পরিবর্তনের জন্য বিদ্যমান হারে জামানত প্রদান করতে হবে। হ্রাহক জামানত বাবদ উক্ত বিল নির্ধারিত পবিস দপ্তরের ক্যাশ কাউন্টারে পরিশোধ করে তার রসিদ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিলে ৭(সাত) দিনের মধ্যে নাম পরিবর্তন কার্যকর করা হবে।

অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার,মিটারে হস্তক্ষেপ,বাইপাস,বিনাঅনুমতিতে সংযোগ গ্রাহক ইত্যাদি ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা

বিদ্যুৎ আইনে [Electricity Act,1910& As Amendment``The Electricity (Amendment)Act 2006’’] ৩৯ ধারা অনুসারে এ ক্ষেত্রেনূন্যতম ১ বছর হতে ৩ বছর পর্যন্ত জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা বিধান রয়েছে। তাছাড়া, অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্যের ৩ গুন হারে (পেনাল হারে) বিল প্রদান করা হবে। এ ছাড়া ও উক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের দ্বারা যদি বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থার বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ,মিটার, মিটারিং ইউনিট ইত্যাদি ক্ষতিগ্রস্থ হয় তবে ক্ষতিগ্রস্থ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, মিটার, মিটারিং ইউনিট পুনরায় সচলকরাগেলে মেরামত খরচ অথবা সম্পূর্ন ধবংসপ্রাপ্ত বা পুনরায় সচল করা যাবে না এরুপ সরঞ্জামের জন্য পুনঃস্থাপনের ব্যয়সহ প্রকৃত মূল্য আদায় করা হবে।